শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা

Institute Type

ফটোগ্যালারি

নং নাম অফিসের ছবি অর্জন ভবিষৎ পরিকল্পনা মেধাবী ছাত্রবৃন্দ শিক্ষাবৃত্তি তথ্যসমুহ ইতিহাস ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল যোগাযোগ সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রতিষ্ঠাকাল পাশের হার মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ধরণ ফটোগ্যালারি প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা কার্যকলাপ
  
                 
দাউদপুর গৌছ উদ্দিন সিনিয়র মাদ্রাসা

অত্র মাদ্রাসার অনেক ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহন করে উচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্ননামধন্য প্রতিষ্টানে চাকুরী করে আসছে।

মাদ্রাসার বর্ধিত করে উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা, শিক্ষাদানকে ডিজিটালাইজেশন করা, ক্লাসে ক্লাসে প্রজেক্টরে মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া।

১. মিজানুর রহমান

২. সাইফুর রহমান

৩. তাহমিনা রহমান চৌধুরী

৪. শামীমা বেগম

৫. রহমান মিয়া

উপবৃত্তি প্রদান, পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদানসহ এলাকার বিত্তবানদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনুদান সংগ্রহ করে গরীব অসহায় ছাত্রদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এলাকার কতিপয় শিক্ষিত যুবকের একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯২৩ সালে দারগার বাড়ীর পাশে বেটন দ্বারা তৈরী এক কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঘরে প্রায় ৭০ জনের মত শিক্ষার্থী নিয়ে দাউদপুর (বর্তমান নাম) মাদ্রাসা গঠিত হয়।

দাউদপুর গ্রামের অর্ন্তগত  দাউদপুর মসজিদের পাশে মাজার সংলগ্ন স্থানে মাদ্রাসাটি অবস্থিত। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় মাদ্রাসাটি অনেক দুর এগিয়ে গেছে।

সভাপতি=

সহ সভাপতি=

সদস্য=

সদস=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

সদস্য=

মহিলা সদস্য=

বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল নিম্নে দেওয়া হল।

১ম বছর=

২য় বছর=

৩য় বছর=

৪র্থ বছর=

বর্তমান বছর=

দাউদপুর গ্রামের অর্ন্তগত  দাউদপুর মসজিদের পাশে মাজার সংলগ্ন স্থানে মাদ্রাসাটি অবস্থিত। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় মাদ্রাসাটি অনেক দুর এগিয়ে গেছে।

দাউদপুর গ্রামের অর্ন্তগত  দাউদপুর মসজিদের পাশে মাজার সংলগ্ন স্থানে মাদ্রাসাটি অবস্থিত। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় মাদ্রাসাটি অনেক দুর এগিয়ে গেছে। 

১৯২৩ ৯০ ৭২০ মাদ্রাসা
দেখুন
তুরুকখলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

অত্র বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহন করে উচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্ননামধন্য প্রতিষ্টানে চাকুরী করে আসছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বর্ধিত করে উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা, শিক্ষাদানকে ডিজিটালাইজেশন করা, ক্লাসে ক্লাসে প্রজেক্টরে মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া।

১. মিজানুর রহমান

২. সাইফুর রহমান

৩. তাহমিনা রহমান চৌধুরী

৪. শামীমা বেগম

৫. রহমান মিয়া

উপবৃত্তি প্রদান, পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদানসহ এলাকার বিত্তবানদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনুদান সংগ্রহ করে গরীব অসহায় ছাত্রদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এলাকার কতিপয় শিক্ষিত যুবকের একান্ত প্রচেষ্টায় ১৮৬২ সালে দারগার বাড়ীর পাশে বেটন দ্বারা তৈরী এক কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঘরে প্রায় ৭০ জনের মত শিক্ষার্থী নিয়ে তুরুকখলা সরকারী প্রাথমিক (বর্তমান নাম) বিদ্যালয় গঠিত হয়।

১ম শ্রেণী: ১২০

২য় শ্রেনী: ১২৬

৩য় শ্রেনী: ১৫৪

৪র্থ শ্রেনী: ৫৬

৫ম শ্রেণী: ৩৯

পরিচালনা কমিটি প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে..... সামনে পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। তৎপর ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।

বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল নিন্মে দেওয়া হল:

১ম বছর:

২য় বছর:

৩য় বছর:

৪র্থ বছর:

৫ম  বছর:

তুরুকখলা, দাউদপুর ইউপি,দক্ষিণ সুরমা,সিলেট। দারগার বাড়ীর পাশে অবস্থিত।

দাউদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাজার সংলগ্ন দারগার বাড়ীর পাশে তুরুকখলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। উক্ত বিদ্যালয়ের পাশের হার সন্তুষজনক। গ্রামের গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি বিদ্যালয় কমিটির পক্ষ থেকে সাহায্য-অনুদান প্রদান করা হয়।

১৮৬২ ৯৮ ১২৩৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়
দেখুন
জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাই স্কুল

২০০৮ইং সনে প্রথম বারের মত এস.এস.সি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাশ করে। পরবর্তীতে ২০০৯-এ ৯৮%, ২০১০-এ ৯৭%, ও ২০১১ইং সনে ১০০% ছাত্র-ছাত্রী পাশ করেছে যা প্রত্যন্ত ও সহায় সম্বলহীন এলাকার জনগোষ্ঠীর জন্য বিরাট পাওয়া।

বিদ্যালয়কে এম.পি.ও ভুক্তিসহ কলেজ পর্যায়ে উন্নীতকরণ এবং এতদ অঞ্চলে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রূপে গড়ে তোলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে...

সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন দাউদপুর নিবাসী মরহুম খান বাহাদুর গৌছ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেবের পৌত্র, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, জনাব ইমাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাহেবের পুত্র অধ্যাপক ডাঃ নিয়াজ আহমদ চৌধুরী সাহেবের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জাপানী সহায়তায় ১৯৯৮ইং সনে বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। বিদ্যালয়টির ভূমি দাতা মরহুম খান বাহাদুর গৌছ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেবের পরিবারবর্গ। স্থাপনকালে প্রাথমিক স্তরে ৩টি শ্রেণী নিয়ে বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে প্রতি বছর একটি শ্রেণী বর্ধিত করে ২০০৬ সালে সরকারী স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হাইস্কুলে উন্নীত হয়ে ২০০৮ সালে প্রথম বারের মত ছাত্র-ছাত্রীরা এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতঃ শতভাগ সাফল্য অর্জন করে। বিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে সেলাই প্রশিক্ষণসহ আরো কতিপয় প্রোগ্রাম চালু থাকলেও সময়ের ধারাবাহিকতায় ঐগুলি বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে কম্পিউটার বিষয় বাধ্যতামূলকসহ প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এক শিফটে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় মোট ৫১৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর সকলেই বিনা বেতনে অধ্যয়ন করিতেছে। বিদ্যালয়ে ১০ জন শিক্ষক, ৭ জন শিক্ষিকা ও ৫ জন কর্মচারী কর্মরত আছে। অত্যন্ত মনোরম, নিরিবিলি ও খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত বিদ্যালয়টির চতুর্দিকে ঘিরে মূল্যবান বৃক্ষরাজি রোপন করা হয়েছে। ফলে সকলের দৃষ্টি পড়ে। গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদিগকে বই, খাতা, কলম, স্কুল ড্রেস প্রভৃতিসহ বিদ্যালয়ের যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ নিয়াজ আহমদ চৌধুরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রদান করে থাকেন।যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও কর্মতৎপরতায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে তারা হলেন সাবেক সচিব ও তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জনাব ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও আশা’র প্রেসিডেন্ট জনাব শফিকুল হক চৌধুরী, গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স-এর সিইও জনাব নাসির এ চৌধুরী প্রমুখ।

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণী ভিত্তিক)

 

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

১ম

২৮

৩২

৬০

২য়

৩০

২৯

৫৯

৩য়

২৯

২৫

৫৪

৪র্থ

১৭

২১

৩৮

৫ম

১৫

২১

৩৫

৬ষ্ঠ

২৮

৩৯

৬৭

৭ম

৩৩

৩৮

৭১

৮ম

২১

৩৩

৫৪

৯ম

১৩

২২

৩৫

১০ম

২০

২৫

৪৫

সর্বমোট=

৫১৮

বর্তমান নির্বাচিত পরিচালনা কমিটি (২০১৩-১৪)

 

ক্রঃ

সদস্যবৃন্দের নাম

পদবী

০১

অধ্যাপক ডাঃ নিয়াজ আহমদ চৌধুরী

সভাপতি

০২

প্রধান শিক্ষক, জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাইস্কুল

সদস্য সচিব

০৩

জনাব এম. মকবুল আলী

শিক্ষক প্রতিনিধি

০৪

জনাবা ফরিদা ইয়াসমিন কোরেশী

,,

০৫

জনাব এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ তারেক

অভিভাবক সদস্য

০৬

জনাব রিয়াজ আহমদ চৌধুরী

,,

০৭

জনাব ফারজানা চৌধুরী

,,

এস.এস.সি পরীক্ষা সংক্রান্ত

সন

মোট পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

বন্টন/ বিভাজন

A+

A

A-

B

C

D

২০০৮

০৮

০৮

১০০%

---

০২

০৩

০৩

---

---

২০০৯

০৮

০৭

৮৭.৫%

---

---

---

০৫

০২

---

২০১০

২০

১৯

৯৫%

---

০৪

০২

০৮

০৫

---

২০১১

১৩

১৩

১০০%

---

০৩

০৪

০৫

০১

---

 

 

জে.এস.সি পরীক্ষা সংক্রান্ত

সন

মোট পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

বন্টন/ বিভাজন

A+

A

A-

B

C

D

২০১০

৪৭

৩৪

৭২.৩৪%

 

 

০১

০৫

২১

০৭

২০১১

৪৭

৪৫

৯৫.৭৫%

 

০৪

০৫

০৯

২৩

০৪

 

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত

সন

মোট পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

১ম বিভাগ

২য় বিভাগ

৩য় বিভাগ

২০০৯

২২

২২

১০০%

০৭

১৩

০২

২০১০

২২

২২

১০০%

১৪

১৩

০১

 

সন

মোট পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

বন্টন/ বিভাজন

A+

A

A-

B

C

D

২০১১

৪৭

৪৫

৯৫.৭৫%

 

০৬

০৭

০৪

 

 

সিলেট শহর থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে খালমুখ বাজার হয়ে পাহাড় লাইন অভিমুখী বাস/ লেগুনা/ সিএনজিতে দাউদপুর চৌধুরী বাজারের ভিতর দিয়ে কিলোমিটার উত্তর দিকে। অথবা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ভিতর দিয়ে ৩ কিঃমিঃ পূর্বে সরাসরি পাকা রাস্তা।

জাপান বাংলাদেশ হাই স্কুল দাউদপুর ইউনিয়ননের অর্ন্তগত ০২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দাউদপুর গ্রামে অবস্থিত। প্রতি বছর অত্র বিদ্যালয়ে জে.এস.সি এবং এস.এস.সি পরীক্ষার্থীরা ভাল রেজাল্ট করে।

১৯৯৮ ৮৫ ৫১৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ৩ পর্যন্ত, মোট ৩ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন